Sunday, January 14, 2024

ডলার বন্ডের সুদহার বাড়ানো হয়েছে

 

ডলারফাইল ছবি: রয়টার্স

ইউএস ডলার প্রিমিয়াম ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের সুদহার বাড়ানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুসারে, ইউএস ডলার প্রিমিয়ার বন্ডের সুদহার যেভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে, তা নিম্নরূপ—১ লাখ ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগে প্রথম বছরান্তে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৭ ও তৃতীয় বছরান্তে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। ১ লাখ ১ ডলার থেকে ৫ লাখ ডলার পর্যন্ত প্রথম বছরান্তে ৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৬ শতাংশ। এরপর ৫ লাখ ১ ডলার থেকে তদূর্ধ্ব বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথম বছরান্তে ৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৫ শতাংশ সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের সুদহার হবে এমন—১ লাখ ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগে প্রথম বছরান্তে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৬ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ লাখ ১ ডলার থেকে ৫ লাখ ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগে প্রথম বছরান্তে ৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৫ শতাংশ সুদ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ৫ লাখ ডলার থেকে তদূর্ধ্ব বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথম বছরান্তে ৩ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরান্তে ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ ও তৃতীয় বছরান্তে ৪ শতাংশ সুদ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে, যেমন নতুন স্ল্যাবভিত্তিক মুনাফা প্রদানের ক্ষেত্রে বর্ণিত স্কিম দুটির আগের বিনিয়োগের সঙ্গে একত্র করে মোট বিনিয়োগ নির্ধারণ করা হবে। নতুন স্ল্যাব নির্ধারণের আগে ইস্যুকৃত সঞ্চয় স্কিম দুটির মুনাফার হার ক্রয়কাল হারে প্রযোজ্য হবে; বর্ণিত স্কিম দুটির বিনিয়োগের পরিমাণ অন্যান্য সঞ্চয় স্কিম থেকে আলাদা হিসাবায়ন হবে এবং স্কিম দুটির লেনদেনসংক্রান্ত সব রিপোর্ট-রিটার্ন মার্কিন ডলারের পাশাপাশি বাংলাদেশি মুদ্রায় পাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

একসময় প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ছিল না। তবে ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর এক নির্দেশনার মাধ্যমে তিন ধরনের বন্ড মিলে সমন্বিত বিনিয়োগের সীমা নির্ধারণ করা হয় এক কোটি টাকা। পরে গত বছর সব ধরনের বন্ডে সুদহার কমানো হয়, যদিও একই নির্দেশনায় ইউএস ডলার প্রিমিয়াম ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা প্রত্যাহার করা হয়। তবে সুদহার বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় কম ছিল বলে এসব বন্ড বিক্রি কমে গিয়েছিল। এরপর আজ রোববার তা আবার বাড়ানো হলো।


নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের চাপ ছিল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়ছবি: প্রথম আলো

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের চাপ ছিল। নানা চাপ উতরে নির্বাচন হয়ে গেছে।

আজ রোববার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর হাছান মাহমুদ আজ প্রথম তাঁর দপ্তরে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ ও চাপ নিয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের নানা পারসেপশন (ধারণা), ন্যারেটিভ (পটভূমি) থাকে। কিন্তু দিন শেষে সবাই একসঙ্গে কাজ করব, এটাই হচ্ছে মূল বিষয়। সবাই আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। তবে আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কনসার্নগুলোকে (উদ্বেগ) মূল্য দেব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না। নির্বাচন নিয়ে বহু চাপ, গভীর চাপ, মধ্যম চাপ—নানা ধরনের চাপ ছিল। নানা চাপ উতরে নির্বাচন হয়ে গেছে। সুতরাং আমরা কারও কোনো চাপ কখনো অনুভব করি না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁরা পূর্ব-পশ্চিম সবার সহযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। গত ৫২ বছরে দেশের যে অর্জন, তাতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা ছিল।


পোশাক খাতকে উতরিয়ে পাটকে প্রধান রপ্তানি পণ্য করা হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

 

মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সচিবালয়ে এলে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়ছবি: প্রথম আলো

দেশের প্রধান রপ্তানিকারক শিল্প পোশাক খাতকে উতরে পাটকে ১ নম্বর রপ্তানি পণ্য হিসেবে ওঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন নতুন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ রোববার প্রথম সচিবালয়ে এসে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফসহ অন্যরা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
নানক বলেন, এর আগেও তিনি মন্ত্রিসভায় ছিলেন। ২০০৮ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলান। এবার নতুন যাত্রা। নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, এখানে মাঠের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। কৃষকের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। তিনি বলেন, পাট উৎপাদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। পাট উৎপাদনে উৎসাহিত করা হবে।

চলমান কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে: সিমিন হোসেন রিমি

নতুন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি বলেন, যেসব কাজ চলমান আছে, সেগুলো এগিয়ে নিতে কাজ করবেন তিনি। সিমিন হোসেন বলেন, আগেও নারী ও শিশু নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন তিনি।

আজ সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সিমিন হোসেন।


চোখের ডাক্তার দেখাতে আজ লন্ডন যাচ্ছেন সাকিব

 

বেশ কিছু দিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন সাকিব আল হাসানশামসুল হক

চোখের চিকিৎসক দেখাতে আজ লন্ডন যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। বিপিএল শুরুর আগেই তাঁর ফিরে আসার কথা। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

লন্ডনের বিমান ধরার আগে আজ সাকিব তাঁর বিপিএলের দল রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। সেখানে সাকিবকে চশমা পরে ব্যাটিং করতে দেখা গেছে।

গত অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে হয়ে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপেও চোখের সমস্যা ভুগিয়েছে সাকিবকে। স্নায়ুর চাপের কারণে চোখের রেটিনার সমস্যা হচ্ছিল সাকিবের। এর জন্য ব্যাটিংয়ের সময় সাকিবের সমস্যা হচ্ছিল।

এ নিয়ে বিশ্বকাপের সময় দুই দফা ভারতে চিকিৎসক দেখিয়েছেন সাকিব। বিশ্বকাপের পর যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েও চোখের চিকিৎসক দেখিয়েছেন। জানা গেছে, এবারের বিপিএলের আগে আবার নতুন করে একই সমস্যায় পড়েছেন তিনি। এর মধ্যে ঢাকায় দুজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ দেখিয়েছেন। চিকিৎসাও চলছে তাঁর। তবে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। সে জন্যই সাকিবকে দেশের বাইরে যেতে হচ্ছে।



Saturday, January 13, 2024

ভিসা ছাড়াই যে ৪২ দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা


https://youtu.be/oHgyFpOpd20 

দুই হাতবিহীন ক্রিকেটারের ব্যাটিং-এ মুগ্ধ শচীন

https://youtu.be/E8d90dmqX0o 



গাজায় হামলার ১০০ দিন: যুদ্ধবিরতির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ ৩০ দেশে বিক্ষোভ


 ওয়াশিংটনে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একটা বড় অংশই ছিলেন তরুণ। তাঁদের অনেকেই ঐতিহ্যবাহী কেফিয়াহ পরেছিলেন, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের ৩০ দেশে গতকাল শনিবার হাজার হাজার ফিলিস্তিন-সমর্থক বিক্ষোভ করেছেন। গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে ডাক দেওয়া ‘গ্লোবাল ডে অব অ্যাকশন’-এর (আন্তর্জাতিক বিক্ষোভের দিন) অংশ হিসেবে রাজপথে নেমে তাঁরা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের দাবি জানান।

গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং ইসরায়েলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সমর্থনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক কয়েকটি সংগঠনের জোটের পক্ষ থেকে গ্লোবাল ডে অব অ্যাকশনের ডাক দেওয়া হয়। এতে সাড়া দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, যুক্তরাজ্যের লন্ডনসহ বিশ্বের ৩০টি দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

আরও পড়ুন

গণহত্যার মামলাকে ‘বিদ্বেষপ্রসূত’ বলল ইসরায়েল, অভিযোগের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র–জার্মানি

গণহত্যার মামলাকে ‘বিদ্বেষপ্রসূত’ বলল ইসরায়েল, অভিযোগের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র–জার্মানি

গতকাল শনিবার ছিল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের ৯৯তম দিন। এদিন এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। আজ রোববার এ যুদ্ধ ১০০তম দিনে গড়াল।

ওয়াশিংটনে বিক্ষোভকারীদের অনেকে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়াচ্ছিলেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একটা বড় অংশই ছিলেন তরুণ। তাঁদের অনেকেই ঐতিহ্যবাহী কেফিয়াহ পরেছিলেন।

শনিবার ওয়াশিংটনের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লোকজন স্লোগান দেন—‘এখনই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করুন’, ‘ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন’, ‘গাজায় যুদ্ধের অবসান করুন’।

হোয়াইট হাউস থেকে সামান্য দূরে স্থাপিত একটি মঞ্চে কয়েকজন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন। গাজায় কীভাবে তাঁদের বন্ধু ও স্বজনদের হত্যা করা হয়েছে, তার বর্ণনা দিয়েছেন। এই ফিলিস্তিনিদের মূল নিবাস গাজা উপত্যকায়, তবে এখন তাঁরা মিশিগান, টেক্সাসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে থাকেন।

ইসরায়েলকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

বক্তব্য দেওয়া ফিলিস্তিনিদের একজন সমবেত মানুষদের উদ্দেশে বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে চাপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন সহজেই এসব বেপরোয়া কর্মকাণ্ড থামাতে পারেন।’

গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে শনিবার লন্ডনেও বিক্ষোভ হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকে লন্ডনে সপ্তমবারের মতো এ বিক্ষোভ হলো। লন্ডনের বিক্ষোভে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শনিবার সেখানে প্রায় ১ হাজার ৭০০ পুলিশ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল।

২৭ বছর বয়সী স্বাস্থ্যকর্মী মালিহা আহমেদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিনিদের দেখাতে চাই যে আমরা তাদের সঙ্গে আছি। তারা যেন আমাদের সরকারের বিপক্ষে আওয়াজ তুলতে পারে। ইসরায়েল যা করছে, তা চালিয়ে যেতে দিতে তারা খুব বড় ভূমিকা পালন করছে। যা হচ্ছে, তা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

বিক্ষোভে মালিহার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও অংশ নিয়েছিলেন।

দিপেশ কোথার নামের ৩৭ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘বিশ্ব কিছুই করছে না—এটা এভাবে বসে বসে দেখতে থাকাটা অত্যন্ত হতাশার। এ কারণে আমরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের প্রতি আমাদের অসন্তোষ জানাতে এখানে এসেছি।’

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরায়েলে ‘আল–আকসা ফ্লাড’ অভিযান চালায়। এতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুসারে ১ হাজার ১৪০ জন নিহত হয়েছেন। জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, চলমান হামলায় এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।