Monday, September 30, 2024

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ার প্রস্তাবও এসেছে

 

বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও জুলাই-আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষাসহ বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব এসেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় সভাগুলোয়। এসব দাবি ও প্রস্তাব এক জায়গায় এনে এখন একটি প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা আলোচনা করে এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করবেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা গত ৮-১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের ৪৪টি জেলা সফর করেছেন। এসব জেলায় ‘গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণায় শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্র-নাগরিক মতবিনিময় সভা’ শিরোনামে সভা হয়। প্রতিটি সভায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সভায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সহসমন্বয়কদের কাছে রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের নানা প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

সবাই চাইছে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে নতুন কিছু তৈরি হোক। দ্বিতীয় স্বাধীনতার অংশীজনদের সবাই চাইছেন দেশে আবার যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি জন্ম নিতে না পারে।
নুসরাত তাবাসসুম, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় সভা শেষে ২০ সেপ্টেম্বর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ক ও সহসমন্বয়কদের নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আরেকটি মতবিনিময় সভা করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কেরা। এই সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কীভাবে আরও সংগঠিত করা যায়, তা নিয়ে কথা হয়।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গত ১ জুলাই আত্মপ্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, যা মূলত সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি প্ল্যাটফর্ম। তবে এই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরাও সক্রিয় ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সহসমন্বয়ক ১৫৮ জন। যাঁদের মধ্যে নেতৃস্থানীয়রা গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামের একটি সংগঠনের সদস্য। অবশ্য ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রশক্তির সব কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন যে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হয়, তার নেতৃত্বে ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে দুজন—নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক। তাঁরা দুজন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তিরও নেতা ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা গত ৮-১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের ৪৪টি জেলা সফর করেছেন।

৪৪ জেলায় মতবিনিময়

৮ সেপ্টেম্বর থেকে পালাক্রমে দেশের আটটি বিভাগ সফর করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা। সফরের শুরু হয় মুন্সিগঞ্জে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে। সফর শেষ হয় ১৮ সেপ্টেম্বর শরীয়তপুরে। এর মধ্যে খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা, বরগুনা, নাটোর, ঝিনাইদহ ও চাঁদপুর—এই ছয় জেলায় মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও হট্টগোল হয়।

সমন্বয়কদের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে নরসিংদীতে সভা স্থগিত করা হয়। হবিগঞ্জ ও বগুড়া জেলায় একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনের বাধায় সভা পণ্ড হয়ে যায়। স্থানীয় সমন্বয়কদের দ্বন্দ্বে শেরপুরে সভা পণ্ড হয়। এ ছাড়া ময়মনসিংহে স্থানীয় সমন্বয়কদের বিরোধিতার কারণে সভায় যোগ দিতে পারেননি ঢাকা থেকে যাওয়া কেন্দ্রীয় সমন্বয়কেরা। বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনার বাইরে প্রতিটি সভায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি নিজ এলাকার নানা সমস্যা ও সংকটের কথা তুলে ধরেন।

জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়া পাঁচজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা বলেন, প্রায় প্রতিটি সভায় স্থানীয় সমস্যা হিসেবে চাঁদাবাজির বিষয়টি উঠে এসেছে। একইভাবে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার পরামর্শ এসেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের নিয়ে যাতে নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠে, সেই প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বহু মানুষ।

কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম সফর করেছেন খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সবাই চাইছে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে নতুন কিছু তৈরি হোক। দ্বিতীয় স্বাধীনতার অংশীজনদের সবাই চাইছেন দেশে আবার যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি জন্ম নিতে না পারে।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন যে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হয়, তার নেতৃত্বে ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে দুজন—নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক। তাঁরা দুজন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তিরও নেতা ছিলেন।

নানা ধরনের প্রত্যাশা

বিভিন্ন মতবিনিময় সভায় সংবিধান সংশোধন-পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। একইভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা,

জুলাই-আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষা করা, আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা, পুনর্বাসনসহ তাঁদের নিয়ে ব্যাপক ভিত্তিতে কাজ করার পরামর্শ এসেছে মতবিনিময় সভাগুলোয়। এ ছাড়া চাঁদাবাজি বন্ধ, টেন্ডারবাজির রাজনীতির অবসান, শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারসহ স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়গুলো এসেছে।

বিভিন্ন জেলায় গিয়ে কথা শুনে আমাদের মনে হয়েছে, মানুষ একটা বিকল্প শক্তি চাইছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম

মতবিনিময় সভাগুলো থেকে সবাই নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের দিকে যাওয়ার বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছে বলে জানান সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় মতবিনিময় সভা করে আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারির দুজন সমন্বয়ক প্রথম আলোকে বলেন, জেলা পর্যায় থেকে উঠে আসা বক্তব্য ও প্রত্যাশাগুলো লিপিবদ্ধ করে প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে এখন। জেলা সফর করে আসা সমন্বয়কদের আটটি দলের সদস্যরা শিগগিরই একসঙ্গে বসবেন। সেখানে আলোচনা করে মানুষের প্রত্যাশার বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে।

সফরে রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধিদলে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিভিন্ন জেলায় গিয়ে কথা শুনে আমাদের মনে হয়েছে, মানুষ একটা বিকল্প শক্তি চাইছে।’



Sunday, September 29, 2024

জয় হত্যাচেষ্টা মামলায় আজ আত্মসমর্পণ করবেন সাংবাদিক শফিক রেহমান

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় দণ্ডিত সাংবাদিক শফিক রেহমান আজ সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। বেলা ১১টার দিকে আত্মসমর্পণের উদ্দেশ্যে আদালতে আসবেন বলে আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী জানান, এ মামলায় গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় সাংবাদিক শফিক রেহমান দণ্ড ১ বছরের জন্য স্থগিত করেছেন। সেখানে আপিলের শর্ত দেয়া হয়েছে। আপিল করার জন্য মামলার রায়সহ অন্যান্য ডকুমেন্টের সার্টিফাইড কপি দরকার। আদালতে আত্মসমর্পণ ছাড়া আদালত রায়ের সার্টিফাইড কপি সরবরাহের আদেশ দিবেন না। তাই তিনি আত্মসমর্পণ করতে আসবেন।

এর আগে রবিবার এ মামলায় দণ্ডি আমার দেশ পত্রিকার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আত্মসমর্পণ করলে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

ঢাকার অতিরিক্ত মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।

সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ এবং হত্যাচেষ্টার মামলায় গত বছরের ১৭ আগস্ট ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালত মাহমুদুর রহমান ও সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ পাঁচজনের পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। দণ্ডিত অপর তিন আসামি হলেন জাসাস নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ, রিজভী আহমেদ সিজার ও মিজানুর রহমান ভুঁইয়া।

আসামিদের দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় (অপহরণ) পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছিল আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাদের আরো একমাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল আদালত। এছাড়া একই আইনে ১২০-খ ধারায় (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত।


মামলার অভিযোগ বলা হয়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগে যেকোনো সময় থেকে এ পর্যন্ত বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানীর পল্টনের জাসাস কার্যালয়ে, আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার আসামিরা একত্রিত হয়ে যোগসাজশে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার প্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমেরিকায় অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।

ওই ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন। ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ-পত্র দেয় পুলিশ। এ মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

A

শাহরুখকে বিয়ের অনুষ্ঠানে আর নাচতে দেখা যায় না, কারণ জানালেন নিজেই

 

বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানেরও কঠিন সময় থাকতে পারে? উত্তরটা হচ্ছে, হ্যাঁ, পারে। খ্যাতির চূড়ায় থাকা তারকাদেরও দুঃখের দিন আসে। নির্ঘুম রাত কাটে, সুদিনের অপেক্ষায় দিনও গুনতে হয়। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত আইফা অ্যাওয়ার্ড ২০২৪-এ জীবনের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে কঠিন সময়ের কথাও অবলীলায় ভক্তদের সামনে তুলে ধরেন পাঠান হিরো। সেখানে তিনি পেয়েছেন সেরা অভিনেতার পুরস্কারও।
শাহরুখ–ভক্তদের নিশ্চয়ই মনে আছে, ২০২১ সালে একটি ক্রুজ পার্টি থেকে মাদককাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তাঁর বড় ছেলে আরিয়ান খান। প্রায় ১ মাস কারাগারে থাকার পর তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছিল।

আরিয়ানের গ্রেপ্তারের সময়টাই ছিল নায়কের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। তখন ‘জওয়ান’ সিনেমার শুটিংও চলছিল। অভিনেতা জানান, এই কঠিন সময় তাঁর পাশে সব সময় ছিলেন স্ত্রী গৌরী খান।

শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানকে মাদক ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করার ছয় মাস পর বেকসুর খালাস দেওয়া হয়
শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানকে মাদক ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করার ছয় মাস পর বেকসুর খালাস দেওয়া হয়
ছবি: সংগৃহীত

শাহরুখ খান বলেন, ‘সিনেমা করতে গেলে প্রয়োজন অর্থের। এটা আমাকে কেউ মনে করিয়ে দিয়েছিল। তাই আমি গৌরীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। গৌরীই বোধ হয় একমাত্র স্ত্রী, যিনি স্বামীর জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। আমাদের ক্ষেত্রে উল্টোটা সচরাচর হয় না। “জওয়ান” সিনেমা তৈরির সময়ে আমরা খুবই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম।’

সুহানা খান ও আরিয়ান খান
সুহানা খান ও আরিয়ান খান
এএফপি

পাশাপাশি এখন আর বিয়ের অনুষ্ঠানে শাহরুখ খানকে নাচতে দেখা যায় না কেন—এই প্রশ্নেরও জবাব দেন অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আগে আমার জামাইয়ের বয়স ছিল, এখন আমি শ্বশুরের বয়সী।’

সে কারণেই আর বিয়ের অনুষ্ঠানে তেমন নাচতে দেখা যায় না কিং খানকে। সামনে শাহরুখ খানকে দেখা যাবে ‘কিং’ সিনেমায়। এ সিনেমার পরিচালক সুজয় ঘোষ। ছবিতে দেখা যাবে শাহরুখ খানের পাশাপাশি তাঁর মেয়ে সুহানা খানকেও।

৩৩ বছর ধরে সংসার করছেন শাহরুখ খান ও গৌরী খান
৩৩ বছর ধরে সংসার করছেন শাহরুখ খান ও গৌরী খান

বিয়ের কথা শুনলেই ভয় লাগে? আপনি গ্যামোফোবিয়ায় আক্রান্ত


 জেন–জিদের সম্পর্কের সংকট নিয়ে ২০২৩ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় ‘খো গ্যায়ে হাম কাহা’। অনন্যা পান্ডে, সিদ্ধার্থ চতুর্বেদী, আদর্শ গৌরব অভিনীত এই সিনেমার মূল চরিত্র তিন বন্ধু। তাঁদেরই একজন ইমাদ আলী (সিদ্ধার্থ চতুর্বেদী) পেশায় স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান। সে কিছুতেই কোনো সম্পর্কে থিতু হতে পারে না। ‘ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড’ই তাঁর সম্পর্কের শেষ কথা।

এমন সময় তাঁর জীবনে আসে সিমরন নামে এক নারী। একটা প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করতে গিয়ে তাঁদের দুজনার প্রেম হয়ে যায়। কিন্তু ইমাদ যেন সম্পর্কে থেকেও নেই। সম্পর্কটাকে সে ঠিক মেনে নিতে পারছিল না। সিমরন কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছিল না, ইমাদের সমস্যাটা কী! একসময় সিমরন আর ইমাদ ব্রেকআপ করে। সিমরনকে হারিয়ে এবার নিজের ভুল বুঝতে পারে ইমাদ। ছোটবেলার যে ভয়ঙ্কর অতীত, যেটা যে কখনো কাউকে বলেনি, সেই ঘটনা এক শোতে তাঁর শ্রোতাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে। সে যেন বহু বছর ধরে বয়ে বেড়ানো নিকষ অতীতের ভারমুক্ত হয়। জানায় যে সে তাঁর বাবার ব্যবসার অংশীদারের মাধ্যমে ছোটবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর পর থেকে সে আর কোনো স্বাভাবিক সম্পর্কে জড়াতে পারেনি।  ধীরে ধীরে সে ছোটবেলার ট্রমা থেকে বের হয়ে আসে। সিমরনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করে।

অন্যান্য ‘ফোবিয়া’র মতোই বিয়ে বা সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দিতে চাওয়ার যে ভয়, এর নাম গ্যামোফোবিয়া
অন্যান্য ‘ফোবিয়া’র মতোই বিয়ে বা সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দিতে চাওয়ার যে ভয়, এর নাম গ্যামোফোবিয়া
ছবি: পেক্সেলস

দিব্যি সম্পর্কের মধ্যে আছে কিন্তু বিয়ের কথা শুনলেই আঁতকে ওঠে, প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বেলায় পিছিয়ে যায়—এমন মানুষদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সম্পর্কের সব নিয়মই কম–বেশি পালন করছে, কিন্তু সম্পর্কটাকে ‘নাম দিতে’, জনসম্মুখে আনতে বা স্বীকৃতি দেওয়ার বেলায় দে ছুট! এমন পরিস্থিতিতে সম্পর্কটাই টিকিয়ে রাখা বা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে অপর পক্ষের জন্য। আবার অনেক সময় অপর পক্ষ এহেন আচরণে বিরক্ত হয়ে হাল ছেড়ে দেয়। আপনি ভাবছেন, ‘আর কত? মানুষের সহ্যের তো একটা সীমা আছে!’ অথচ আপনি হয়তো জানেনই না, অপর পক্ষ বিশেষ একটা রোগে ভুগছেন। তাঁর প্রয়োজন চিকিৎসা আর কাছের মানুষের সহযোগিতা–সহমর্মিতা।

অন্যান্য ‘ফোবিয়া’র মতোই বিয়ে বা সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দিতে চাওয়ার যে ভয়, এর নাম গ্যামোফোবিয়া। আপনি যদি গ্যামোফোবিয়ায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে বিয়ের কথা শুনলেই বা আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্কে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার প্রস্তাবে অন্যান্য ফোবিয়ার মতোই আপনার ভেতর কিছু শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ দেখা যেতে পারে—


১. অস্থিরতা, বুকে ব্যথা
২. নিশ্বাস নিতে না পারার অনুভূতি
৩. ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া
৪. হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
৫. আতঙ্কে, ভয়ে পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে না পারা
৬. ঠিকভাবে কথা বলতে না পারা
৭. মাথাব্যথা
৮. হুট করে রেগে যাওয়া
৯. ঘামা, পানির পিপাসা লাগা
১০. কাঁপাকাঁপি

ওপরের লক্ষণগুলো ছাড়াও গ্যামোফোবিয়ার রোগীরা বিয়ের কথা শুনলেই অনাগত ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায় অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারেন। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে পারেন। ওই সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসার জন্য উদ্যোগী হতে পারেন। মোদ্দাকথা হলো, ‘প্যানিক অ্যাটাক’ থেকে নানা নেতিবাচক চিন্তায় ডুবে ছয় মাস পর্যন্ত হতাশা আর বিষণ্নতায় ভুগতে পারেন ওই ব্যক্তি।

ঢাকার মোহাম্মদপুরে জেনেভা ক্যাম্প থেকে গ্রেপ্তার ৩৫


 রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে র‍্যাব-২ ও যৌথবাহিনীর অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৫ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় দুটি পিস্তল, ২০টি গুলি, দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়। আজ রোববার র‍্যাব সদর দপ্তর এক খুদেবার্তায় এ তথ্য জানায়।

র‍্যাব বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছেন। বাকিরা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ।

Wednesday, September 25, 2024

আনলিমিটেড মেয়াদে ডাটা ও বছর মেয়াদে বান্ডেল অফার নিয়ে বাজারে এলো টেলিটকের জেন জি (Gen-Z) প্যাকেজ


 জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত শব্দ 'জেনারেশন জি' বা 'জেন জি' কে অনুসরণ করে তরুণদের জন্য টেলিটক নিয়ে এলো 'জেন জি' (Gen-Z) প্যাকেজ। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে “জেন-জি (Gen-Z)” প্যাকেজের উদ্বোধন করা হয়।

জেন-জি নতুন প্যাকেজের মূল্য ১৫০ টাকা। তবে, প্রথম ৩০ দিনে গ্রাহক মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে প্যাকেজটি ক্রয় করতে পারবে। এই প্যাকেজে রয়েছে বাজারের সবচেয়ে কমমূল্যে আনলিমিটেড মেয়াদে ডাটা ও বছর মেয়াদে বান্ডল অফার সুবিধা। আরো রয়েছে ১ সেকেন্ড পালস্, সাশ্রয়ী ভয়েস, ট্যারিফ এবং চাকুরী প্রার্থীদের জন্য ১২ মাসের Alljobs Premium Membership service এর ফ্রি সুবিধা। “জেন-জি”নতুন গ্রাহক টেলিটক কাষ্টমার কেয়ার থেকে সিম ক্রয় করতে পারবেন। এছাড়াও গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) থেকে মাই টেলিটক (Myteletalk App) অ্যাপে নিবন্ধন করার মাধ্যমে বর্তমানে টেলিটক ব্যবহারকারীগণ জেন-জি প্যাকেজের অফারসমূহ গ্রহণ করতে পারবেন। পাশাপাশি ফিচার ফোন ব্যবহারকারিগণ USSD Code (*111#) এর মাধ্যমে এ সুবিধা পাবেন।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ www.teletalk.com.bd.

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মোঃ মুশফিকুর রহমান, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের সদস্যবর্গ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী সহ টেলিটক এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।