Tuesday, November 19, 2024

আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে ছাত্রনেতাদের চাপ


 রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা না-করা নিয়ে কিছুটা উভয়সংকটে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতারা আওয়ামী লীগকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে রাখার বিষয়ে অনড়। অন্যদিকে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি কোনো দলকে নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে।

বিএনপি ও তার সমমনা দলগুলো চাচ্ছে দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হোক। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা এবং দলটিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার দাবিতে সোচ্চার। তাঁরা নির্বাচনের আগে জরুরি সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার আছে কি না, সে প্রশ্নের সুরাহা চান। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে অগ্রাধিকার নির্ধারণ নিয়ে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কি না, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘এটা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি। বিএনপি এটা করেছে, বলেছে সব রাজনৈতিক দল অবশ্যই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সুতরাং তারা ইতিমধ্যে রায় দিয়ে দিয়েছে। আমরা দেশের একটি প্রধান দলের মতামতকে উপেক্ষা করব না।’

গত সোমবার প্রধান উপদেষ্টার এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে। এই ক্ষেত্রে বিএনপি একটা বাধা, রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অনেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁরা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা প্রতিহত করতে প্রয়োজনে ‘দ্বিতীয় অভ্যুত্থানের’ হুমকি দিয়েছেন।


Monday, November 18, 2024

খুনিদের বিচার শুরু

 



জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে হত্যাকারী শেখ হাসিনাসহ অন্য খুনিদের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়েছে এ বিচার। এ দিন পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ১৩ আসামিকে হাজির করা...

আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি

 

আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘এটা ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইনি। বিএনপি এটা করেছে, বলেছে সব রাজনৈতিক দল অবশ্যই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সুতরাং তারা ইতিমধ্যে রায় দিয়ে দিয়েছে। আমরা দেশের একটি প্রধান দলের মতামতকে উপেক্ষা করব না।’

তাহলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে আপনার কোনো আপত্তি নেই—সে প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘কোনো একটি দল বা আরেকটি দলকে বেছে নেওয়ার জন্য আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। আমি রাজনীতিকদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করছি।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় দেওয়া ওই সাক্ষাৎকার আজ সোমবার হিন্দুর অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করা হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে খেলাপিঋণসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগ ও সেগুলোর সফলতার কথা তুলে ধরেন ড. ইউনূস।

এ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে দেওয়া বিবৃতির কথা তুলে ধরে হিন্দুর সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টার কাছে জানতে চান, নতুন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সময় আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত থাকার বিষয়ে তিনি কতটা আত্মবিশ্বাসী।

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বিবৃতি দেননি।’

তখন হিন্দুর সাংবাদিক বলেন, ‘তিনি দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে...।’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘ভালো। এখন বাংলাদেশ ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে বলি। সম্ভবত তিনি সঠিকভাবে অবগত নন। এটা অপপ্রচার, যা বিশ্বজুড়ে চলছে। কিন্তু যখন তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বাস্তবতা সম্পর্কে জানবেন, তখন জনাব ট্রাম্প অবাক হবেন যে তাঁকে কতটা ভিন্নভাবে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানানো হয়েছে। আমি মনে করি না, শুধু যুক্তরাষ্ট্রে একজন নতুন প্রেসিডেন্টের কারণে সবকিছু বদলে যাবে। পররাষ্ট্রনীতি ও দেশের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক প্রেসিডেন্ট পদে পরিবর্তনের কারণে সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। তা ছাড়া ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যদি পরিবর্তন হয়ও তাহলে আমাদের মনে রাখতে হবে এটাও বাংলাদেশ ২, যেটাকে আমরা বলছি নতুন বাংলাদেশ। সুতরাং আমরা অপেক্ষা করব এবং যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা আসেন ও দেখেন এবং আমাদের অর্থনীতি যদি ভালো করতে থাকে তাহলে তারা খুবই আগ্রহী হবে। তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি ক্রেতা, আমাদের দিক থেকেও তাই। এটা খুবই ভালো সম্পর্ক, যা আমরা বছরের পর বছর গড়ে তুলেছি। আমাদের আশা, এটা আরও জোরদার হবে।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ট্রাম্পের কথাকে আপনি অপপ্রচারের ফল বলছেন। কিন্তু শুধু তিনি নন, ভারত সরকার বাংলাদেশে হিন্দুদের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হত্যা করা হয়েছে, এমনকি ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, এসব ঘটনা নিয়ে বেশ কয়েকটি বিবৃতি দিয়েছেন। আপনি এটার ক্ষেত্রে কী বলবেন?

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রথম ফোন কলে (১৬ আগস্ট) তিনি সুনির্দিষ্টভাবে বলেছিলেন যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে এবং এ রকম আরও অনেক কিছু। আমি তাঁকে খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, এগুলো অপপ্রচার। অনেক সাংবাদিক এখানে আসার পর কিছু উত্তেজনা নিয়ে কিছু খবর প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু মিডিয়ায় যেভাবে এসেছে, সেভাবে হয়নি।’

প্রশ্নে বলা হয়, ‘তাহলে এর পেছনে কে আছে বলে আপনি মনে করেন?’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি জানি না। কিন্তু এসব প্রচারণা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। সব ঘটনার পেছনে একদল ব্যক্তি রয়েছেন।’

হিন্দুর সাংবাদিক বলেন, ‘আমি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা আতঙ্কিত বোধ করছিলেন। তাঁদের মনে হচ্ছিল, তাঁদেরকে নিশানা করা হচ্ছে। ফেসবুক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভিডিও আছে যেগুলোতে বলা হয় যে বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ হবে। এখন ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের আমরা বলতে শুনেছি যে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিতে সংস্কার হচ্ছে। এখানে একটি প্রশ্ন আসে যে বাংলাদেশে পরে কী হচ্ছে এবং গত ১৬ বছরের তুলনায় আপনার সরকারের সময়ে অনেক ইসলামের প্রভাব দেখছি। এসব সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করতে এগুলো কাজে দেবে?’

এর জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘এটা কি আমার সঙ্গে যায়? উপদেষ্টা পরিষদের প্রতিটি সদস্য হয় মানবাধিকারকর্মী, যাঁরা নিজেরা ভুক্তভোগী হয়েছেন, অথবা পরিবেশ অধিকারকর্মী, অথবা নারী অধিকার বা অন্য অধিকারকর্মী। সুতরাই তাঁরা সবাই অধিকারকর্মী। আপনি যেসব কথা বললেন, সেগুলো যদি তাঁদের সামনে বলেন, তাহলে তাঁরা আপনার ওপর খেপে উঠবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের প্রত্যেকের জীবনের অতীত কর্মকাণ্ড দেখুন।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন: ‘তাহলে আপনি বলছেন, আপনার উপদেষ্টা পরিষদে ইসলামপন্থী এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার মতো কেউ নেই।’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘প্রত্যেকের জীবনের গল্পগুলো দেখুন। এঁরা সবাই খুবই নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি। এখানে নারী অধিকারকর্মীরা রয়েছেন।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’–এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু সেপ্টেম্বরেই রাজনৈতিক সহিংসতায় ৮৪১ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন এবং আটজন ব্যক্তি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। আমরা জানতে পেরেছি, অনেক সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, আপনার সরকার অতীতের আচরণ অব্যাহত রেখেছে।’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘মানুষকে বিচার করতে দিন। এই সরকার কী করেছে এবং অন্য সরকার কী করেছে, তা তুলনা করে দেখুন। আমি বিতর্ক করতে যাচ্ছি না। আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছি। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অ্যাক্রিডিটেশন আইন আমরা প্রণয়ন করিনি। আমরা শুধু এর প্রয়োগ করেছি এবং আপনি এটা নিয়ে বিতর্ক করতে পারেন যে, এই প্রয়োগ সঠিক কি না। আমি আইনটি পরিবর্তনের পক্ষে।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘৫ আগস্টের ঘটনা কীভাবে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে? এটা কি একটা ধাক্কা হিসেবে এসেছে?’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘এটা কেন হবে? বাংলাদেশ এমন একটি শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে, যেখানে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, অনেকে নিহত হয়েছেন, অনেককে গুম করা হয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের এই মুক্তিকে বন্ধুদেশ হিসেবে ভারতের উদ্‌যাপন করা উচিত। অনেক রাষ্ট্র যেমনটি করেছে, তেমন ভারতেরও আমাদের তরুণদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত এবং একসঙ্গে উদ্‌যাপন করা উচিত।'

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘আপনি বলেছেন, ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি (ভারত–বাংলাদেশ) সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করছে...’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘(শেখ হাসিনা) অন্তত এ সময় ভারতে অবস্থান করছেন, এটা কোনো সমস্যা নয়। বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর কথা বলাটা সমস্যা। তিনি বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, আর সেগুলো রাজনীতি নিয়ে। তিনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন, এটাই সমস্যা।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘সেটা কীভাবে?’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) মানুষকে (ঘর থেকে) বেরিয়ে আসতে বলছেন এবং ঢাকা ও অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে বলছেন। তাঁর অডিও ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে তিনি তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি (ঢাল হিসেবে) সঙ্গে রাখতে বলছেন, যেন পুলিশ বাধা দিলে তাঁরা বলতে পারেন, বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এটি অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনার সরকার ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে। ভারতকে সরাসরি এ অনুরোধ করা হলো না কেন? এ ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা রয়েছে।’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘তাঁকে ফিরিয়ে আনতে আমরা সব আইনি পথ অবলম্বন করব।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে এখনো আপনার সরকার (শেখ হাসিনার) প্রত্যার্পণের অনুরোধ জানায়নি। (ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে) একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে।’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি মনে করি, কিছু আইনি ধাপ রয়েছে। আমরা সেগুলোর দিকে যাচ্ছি। কিন্তু আমরা এখনো ওই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।’

হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিচার করা হচ্ছে—এমন যুক্তি দেখিয়ে ভারত যদি (বাংলাদেশের) অনুরোধ না রাখে তাহলে কী হবে?’

জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আপনি কি বলছেন, ভারত চুক্তি লঙ্ঘন করবে? হ্যাঁ, (চুক্তিতে) এমন কিছু ধারা রয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার যদি তাঁকে (শেখ হাসিনা) সেখানে রাখতে এগুলো প্রয়োগ করে, তাহলে সেটা আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলবে না। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ খুব কম। তাই এই সময়ে হয়তো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সবকিছু মীমাংসা করা যাবে না। তবে আমাদের পরে যে সরকারই আসুক না কেন, তারা এটা ক্ষমা করবে না।’

Sunday, November 17, 2024

এডিস মশা শরীরের কোন অংশে বেশি কামড়ায়?

 

মশা কাদের বেশি কামড়ায়, মানবদেহের কোন অংশে কামড়াতে তারা বেশি ‘পছন্দ’ করে, এসব নিয়েও কিছু গবেষণা হয়েছেছবি: এএফপি

মশা কাদের বেশি কামড়ায়?

কোনো কোনো গবেষণা বলছে, রক্তের গ্রুপ ‘ও’ হলে মশার কামড় খাওয়ার ঝুঁকি বেশি। তা সেটা ‘ও পজিটিভ’ বা ‘ও নেগেটিভ’ যেটিই হোক। অন্যান্য গবেষণার ফলাফল কিন্তু আবার অন্য রকম। তাহলে ব্যাপারটা কী দাঁড়াল? সীমিত পরিসরে হওয়া এসব গবেষণার কোনোটিকেই ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নেওয়ার উপায় নেই। কারণ, সুযোগ পেলে মশা যে কাউকেই কামড়ে দেবে।

কিছু গবেষণায় এমনও দেখা গেছে, যাঁরা নিয়মিত মোজা বদলান না, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে খুব একটা সচেতন থাকেন না, মশা তাঁদের বেশি কামড়ায়। আবার যাঁরা নিয়মিত সাবান, ময়েশ্চারাইজার, ডিওডরেন্ট বা অন্য কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করেন ত্বকের কোনো অংশে, তাঁদের ত্বকের সেই অংশে মশা কম কামড়ায়। কিন্তু এমন বহু উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায় যে একেবারে ঝকঝকে একটা ঘরেও মশা কামড়ে দেয় ছোট্ট কোনো শিশুকে; যে শিশুকে তাঁর মা নিয়মিত সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে ময়েশ্চারাইজার মাখিয়ে পরিপাটি করে রাখেন। কাজেই এসব গবেষণার কোনোটিই প্রমাণ করে না যে এ ধরনের কোনো বিষয় আপনাকে মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখবে।


রংপুরে এক নারীকে টেনেহিঁচড়ে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার ২

 

রংপুরের বদরগঞ্জে চুলের মুঠি ধরে এক নারীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে লাঠিপেটা করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মারধরে বাধা দেওয়ায় ওই নারীর বৃদ্ধ মাকেও মারপিট করা হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ গতকাল রোববার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন ওই নারীর প্রতিবেশী বদরগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৫০) ও গোলজার হোসেন (৬০)। মামলায় ওই দুজনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারীর চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে বাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ সময় তাঁকে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছিলেন। পেটানোর দৃশ্য দেখে

যে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মিস ইউনিভার্সের মুকুট জিতলেন ভিক্টোরিয়া

 

এই প্রথম ডেনমার্ক পেল মিস ইউনিভার্সের খেতাব। ভিক্টোরিয়া কিয়ের থিলভিগকে মুকুট পরিয়ে দেন ২০২৩ সালের বিজয়ী, নিকারাগুয়ার শেনিস প্যালাসিওস।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২ / ১০
মিস ইউনিভার্স ডেনমার্ককে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথমে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেউ যদি আপনাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে, আপনি কীভাবে বাঁচবেন?’
মিস ইউনিভার্স ডেনমার্ককে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথমে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘কেউ যদি আপনাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে, আপনি কীভাবে বাঁচবেন?’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৩ / ১০
ভিক্টোরিয়া বলেন, ‘আমি আমার মতোই বাঁচব। প্রতিদিনের নিয়মে বাঁচব। অন্য কেউ নির্ধারণ করে দেবে না যে আমি কীভাবে বাঁচব। কেউ যদি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে, সেটা তার সমস্যা। আমার নয়।’
ভিক্টোরিয়া বলেন, ‘আমি আমার মতোই বাঁচব। প্রতিদিনের নিয়মে বাঁচব। অন্য কেউ নির্ধারণ করে দেবে না যে আমি কীভাবে বাঁচব। কেউ যদি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে, সেটা তার সমস্যা। আমার নয়।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৪ / ১০
পরে ভিক্টোরিয়ার জন্য প্রশ্ন ছিল, ‘মিস ইউনিভার্স প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নারীদের অনুপ্রাণিত করে আসছে। আজকের রাতে এ মুহূর্তে আপনাকে যে নারীরা দেখছেন, তাঁদের উদ্দেশে আপনার কী বলার আছে?’
পরে ভিক্টোরিয়ার জন্য প্রশ্ন ছিল, ‘মিস ইউনিভার্স প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নারীদের অনুপ্রাণিত করে আসছে। আজকের রাতে এ মুহূর্তে আপনাকে যে নারীরা দেখছেন, তাঁদের উদ্দেশে আপনার কী বলার আছে?’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৫ / ১০
উত্তরে ভিক্টোরিয়া বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাঁরা আমাকে দেখছেন, আমি আপনাদের বলতে চাই, আপনি কোথা থেকে এসেছেন, আপনার অতীত কী—এসবের কিছু দিয়ে আপনাকে বিচার করা যাবে না। যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। আপনাকে সংগ্রাম করে যেতে হবে। আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, কেননা আমি বদলে দিতে চাই। আমি ইতিহাস গড়তে চাই।’
উত্তরে ভিক্টোরিয়া বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাঁরা আমাকে দেখছেন, আমি আপনাদের বলতে চাই, আপনি কোথা থেকে এসেছেন, আপনার অতীত কী—এসবের কিছু দিয়ে আপনাকে বিচার করা যাবে না। যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন। আপনাকে সংগ্রাম করে যেতে হবে। আমি আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, কেননা আমি বদলে দিতে চাই। আমি ইতিহাস গড়তে চাই।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৬ / ১০
ভিক্টোরিয়া ছোটবেলা থেকেই নাচে পারদর্শী। পেশাগত এই নৃত্যশিল্পী আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। মানসিক সেবা নিয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেন। এ ছাড়া প্রাণী অধিকার নিয়ে সচেতন।
ভিক্টোরিয়া ছোটবেলা থেকেই নাচে পারদর্শী। পেশাগত এই নৃত্যশিল্পী আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। মানসিক সেবা নিয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেন। এ ছাড়া প্রাণী অধিকার নিয়ে সচেতন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১০
নিজের একটি বিউটি ব্র্যান্ডও আছে এই সুন্দরীর। ২০২২ সালে মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনালের সেরা ২০-এ স্থান পেয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া।
নিজের একটি বিউটি ব্র্যান্ডও আছে এই সুন্দরীর। ২০২২ সালে মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনালের সেরা ২০-এ স্থান পেয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৮ / ১০
মিস ইউনিভার্স ২০২৪-এর শুরু থেকেই তাঁকে একজন শক্তিশালী প্রতিযোগী হিসেবে ভাবা হচ্ছিল।
মিস ইউনিভার্স ২০২৪-এর শুরু থেকেই তাঁকে একজন শক্তিশালী প্রতিযোগী হিসেবে ভাবা হচ্ছিল।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৯ / ১০
প্রতিযোগিতায় মিস নাইজেরিয়া প্রথম রানারআপ ও মিস মেক্সিকো হয়েছেন দ্বিতীয় রানারআপ।
প্রতিযোগিতায় মিস নাইজেরিয়া প্রথম রানারআপ ও মিস মেক্সিকো হয়েছেন দ্বিতীয় রানারআপ।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১০ / ১০
চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে ছিলেন মিস থাইল্যান্ড ও মিস ভেনেজুয়েলা। ভারতের রিয়া সিংহ সেরা ৩০-এ স্থান পেলেও সেরা ১২ থেকে বাদ পড়ে যান।
চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে ছিলেন মিস থাইল্যান্ড ও মিস ভেনেজুয়েলা। ভারতের রিয়া সিংহ সেরা ৩০-এ স্থান পেলেও সেরা ১২ থেকে বাদ পড়ে যান।

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ চার বছরের কম হবে, আরও কম হতে পারে


সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ২৯) ফাঁকে আল–জাজিরাকে এই সাক্ষাৎকার দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসছবি: আল–জাজিরার ভিডিও থেকে নেওয়া

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ চার বছরের কম হবে। এটা আরও কম হতে পারে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন তিনি।

সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ২৯) ফাঁকে আল–জাজিরাকে এই সাক্ষাৎকার দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল রোববার এই ভিডিও সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করেছে আল–জাজিরা। সাক্ষাৎকারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ যেসব সংকট মোকাবিলা করছে, সেগুলো নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি বাংলাদেশে চলমান সংস্কারপ্রক্রিয়া, আগামী নির্বাচন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশে আগামী নির্বাচনের সঠিক সময় কখন হবে, সে বিষয়ে ড. ইউনূসের কোনো ভাবনা আছে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘না। আমার মাথায় এমন কিছু নেই।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমা কী হতে পারে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তী সরকার। আমরা স্থায়ী সরকার নই। নিয়মিত সরকার পাঁচ বছরের হয়। নতুন সংবিধানে সরকারের মেয়াদ সম্ভবত চার বছর হতে পারে। কারণ, মানুষ সরকারের মেয়াদ কম চায়। সুতরাং এটা (অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ) চার বছরের কম হওয়া উচিত, এটা নিশ্চিত। এটা আরও কম হতে পারে। এটা পুরোটা নির্ভর করছে মানুষ কী চায়, রাজনৈতিক দলগুলো কী চায় তার ওপরে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক দলগুলো চায় এটা (সংস্কার) ভুলে যাও, নির্বাচন দাও। তাহলে সেটা করা হবে।’

তাহলে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি চার বছর থাকছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি তা বলিনি যে চার বছর। আমি বলেছি, এটা সর্বোচ্চ মেয়াদ হতে পারে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য তা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা।’

আরও পড়ুন
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ছবি: আল–জাজিরার ভিডিও থেকে নেওয়া

চলমান সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পুরো সরকারব্যবস্থা সংস্কার হবে। মানুষ নতুন কিছু চায়। সেখানে সব ক্ষেত্রে সংস্কার হবে। এমনকি সংবিধানও সংস্কার হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কার কমিশন করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দুটো প্রক্রিয়া একসঙ্গে চলছে—নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং সব সংস্কার শেষ করার প্রস্তুতি।
সারা দেশ নতুন কিছু চেয়েছে জানিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নতুন বাংলাদেশ শুধু নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

এখানে কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে জানতে চাইছি, তোমরা কি এখনই নির্বাচনে যেতে চাও নাকি এসব সংস্কার শেষ করা হোক তা চাও।’ সবকিছু জনগণের সঙ্গে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের মতামতের ভিত্তিতেই হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে সাক্ষাৎকারে। প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেছেন, তিনি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। সেখান থেকে বাংলাদেশে বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছেন। এগুলো বাংলাদেশের জন্য উপকারী নয়। তাই ভারতের কাছে তাঁরা এসব বিষয়ে বলছেন। তাঁকে আশ্রয় দিচ্ছে, ঠিক আছে। কিন্তু এমনটা হতে থাকলে তাঁদের কাছে আবার অভিযোগ করা হবে।

আরও পড়ুন

১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের দেওয়া এক বিবৃতিতে শেখ হাসিনাকে ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাক্ষাৎকারে বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ড. ইউনূস বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) নিজেকে অনেক কিছু বলতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা তা নয়। এমনকি ভারতও তাঁকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেছে। সুতরাং আশ্রয়দাতাও তাঁকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কিছু বলছে না।’

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইনি প্রক্রিয়া চলছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর প্রত্যাবর্তন চাওয়া হবে।

ভারতের সঙ্গে মিলে অভিন্ন নদীগুলোর পানি ব্যবস্থাপনা করতে চান বলে উল্লেখ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে দুর্নীতির নিমজ্জিত ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দেশকে বের করে চেষ্টা করছে তাঁর সরকার।